৩০ নম্বর পারা

সূরা An-Naba

৩১

إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا

পরহেযগারদের জন্যে রয়েছে সাফল্য।

৩২

حَدَآئِقَ وَأَعْنَٰبًۭا

উদ্যান, আঙ্গুর,

৩৩

وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًۭا

সমবয়স্কা, পূর্ণযৌবনা তরুণী।

৩৪

وَكَأْسًۭا دِهَاقًۭا

এবং পূর্ণ পানপাত্র।

৩৫

لَّا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًۭا وَلَا كِذَّٰبًۭا

তারা তথায় অসার ও মিথ্যা বাক্য শুনবে না।

৩৬

جَزَآءًۭ مِّن رَّبِّكَ عَطَآءً حِسَابًۭا

এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে যথোচিত দান,

৩৭

رَّبِّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ٱلرَّحْمَٰنِ ۖ لَا يَمْلِكُونَ مِنْهُ خِطَابًۭا

যিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা, দয়াময়, কেউ তাঁর সাথে কথার অধিকারী হবে না।

৩৮

يَوْمَ يَقُومُ ٱلرُّوحُ وَٱلْمَلَٰٓئِكَةُ صَفًّۭا ۖ لَّا يَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحْمَٰنُ وَقَالَ صَوَابًۭا

যেদিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দিবেন, সে ব্যতিত কেউ কথা বলতে পারবে না এবং সে সত্যকথা বলবে।

৩৯

ذَٰلِكَ ٱلْيَوْمُ ٱلْحَقُّ ۖ فَمَن شَآءَ ٱتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِۦ مَـَٔابًا

এই দিবস সত্য। অতঃপর যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার কাছে ঠিকানা তৈরী করুক।

৪০

إِنَّآ أَنذَرْنَٰكُمْ عَذَابًۭا قَرِيبًۭا يَوْمَ يَنظُرُ ٱلْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ ٱلْكَافِرُ يَٰلَيْتَنِى كُنتُ تُرَٰبًۢا

আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম, যেদিন মানুষ প্রত্যেক্ষ করবে যা সে সামনে প্রেরণ করেছে এবং কাফের বলবেঃ হায়, আফসোস-আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।

সূরা An-Naazi'aat

১

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ وَٱلنَّٰزِعَٰتِ غَرْقًۭا

শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,

২

وَٱلنَّٰشِطَٰتِ نَشْطًۭا

শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;

৩

وَٱلسَّٰبِحَٰتِ سَبْحًۭا

শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,

৪

فَٱلسَّٰبِقَٰتِ سَبْقًۭا

শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং

৫

فَٱلْمُدَبِّرَٰتِ أَمْرًۭا

শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।

৬

يَوْمَ تَرْجُفُ ٱلرَّاجِفَةُ

যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,

৭

تَتْبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ

অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;

৮

قُلُوبٌۭ يَوْمَئِذٍۢ وَاجِفَةٌ

সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-বিহবল হবে।

৯

أَبْصَٰرُهَا خَٰشِعَةٌۭ

তাদের দৃষ্টি নত হবে।

১০

يَقُولُونَ أَءِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِى ٱلْحَافِرَةِ

তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই-

১১

أَءِذَا كُنَّا عِظَٰمًۭا نَّخِرَةًۭ

গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?

১২

قَالُوا۟ تِلْكَ إِذًۭا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌۭ

তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!

১৩

فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌۭ وَٰحِدَةٌۭ

অতএব, এটা তো কেবল এক মহা-নাদ,

১৪

فَإِذَا هُم بِٱلسَّاهِرَةِ

তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।

১৫

هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ

মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে পৌছেছে কি?

১৬

إِذْ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًى

যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,

১৭

ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ

ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।

১৮

فَقُلْ هَل لَّكَ إِلَىٰٓ أَن تَزَكَّىٰ

অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার আগ্রহ আছে কি?

১৯

وَأَهْدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخْشَىٰ

আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে ভয় কর।

২০

فَأَرَىٰهُ ٱلْءَايَةَ ٱلْكُبْرَىٰ

অতঃপর সে তাকে মহা-নিদর্শন দেখাল।