২৩ নম্বর পারা

সূরা As-Saaffaat

১২৫

أَتَدْعُونَ بَعْلًۭا وَتَذَرُونَ أَحْسَنَ ٱلْخَٰلِقِينَ

তোমরা কি বা’আল দেবতার এবাদত করবে এবং সর্বোত্তম স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করবে।

১২৬

ٱللَّهَ رَبَّكُمْ وَرَبَّ ءَابَآئِكُمُ ٱلْأَوَّلِينَ

যিনি আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদের পালনকর্তা?

১২৭

فَكَذَّبُوهُ فَإِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ

অতঃপর তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। অতএব তারা অবশ্যই গ্রেফতার হয়ে আসবে।

১২৮

إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ

কিন্তু আল্লাহ তা’আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।

১২৯

وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْءَاخِرِينَ

আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয়ে রেখে দিয়েছি যে,

১৩০

سَلَٰمٌ عَلَىٰٓ إِلْ يَاسِينَ

ইলিয়াসের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক!

১৩১

إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ

এভাবেই আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

১৩২

إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ

সে ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত।

১৩৩

وَإِنَّ لُوطًۭا لَّمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ

নিশ্চয় লূত ছিলেন রসূলগণের একজন।

১৩৪

إِذْ نَجَّيْنَٰهُ وَأَهْلَهُۥٓ أَجْمَعِينَ

যখন আমি তাকেও তার পরিবারের সবাইকে উদ্ধার করেছিলাম;

১৩৫

إِلَّا عَجُوزًۭا فِى ٱلْغَٰبِرِينَ

কিন্তু এক বৃদ্ধাকে ছাড়া; সে অন্যান্যদের সঙ্গে থেকে গিয়েছিল।

১৩৬

ثُمَّ دَمَّرْنَا ٱلْءَاخَرِينَ

অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সমূলে উৎপাটিত করেছিলাম।

১৩৭

وَإِنَّكُمْ لَتَمُرُّونَ عَلَيْهِم مُّصْبِحِينَ

তোমরা তোমাদের ধ্বংস স্তুপের উপর দিয়ে গমন কর ভোর বেলায়

১৩৮

وَبِٱلَّيْلِ ۗ أَفَلَا تَعْقِلُونَ

এবং সন্ধ্যায়, তার পরেও কি তোমরা বোঝ না?

১৩৯

وَإِنَّ يُونُسَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ

আর ইউনুসও ছিলেন পয়গম্বরগণের একজন।

১৪০

إِذْ أَبَقَ إِلَى ٱلْفُلْكِ ٱلْمَشْحُونِ

যখন পালিয়ে তিনি বোঝাই নৌকায় গিয়ে পৌঁছেছিলেন।

১৪১

فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ ٱلْمُدْحَضِينَ

অতঃপর লটারী (সুরতি) করালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেন।

১৪২

فَٱلْتَقَمَهُ ٱلْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌۭ

অতঃপর একটি মাছ তাঁকে গিলে ফেলল, তখন তিনি অপরাধী গণ্য হয়েছিলেন।

১৪৩

فَلَوْلَآ أَنَّهُۥ كَانَ مِنَ ٱلْمُسَبِّحِينَ

যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতেন,

১৪৪

لَلَبِثَ فِى بَطْنِهِۦٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ

তবে তাঁকে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত মাছের পেটেই থাকতে হত।

১৪৫

۞ فَنَبَذْنَٰهُ بِٱلْعَرَآءِ وَهُوَ سَقِيمٌۭ

অতঃপর আমি তাঁকে এক বিস্তীর্ণ-বিজন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম, তখন তিনি ছিলেন রুগ্ন।

১৪৬

وَأَنۢبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةًۭ مِّن يَقْطِينٍۢ

আমি তাঁর উপর এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ উদগত করলাম।

১৪৭

وَأَرْسَلْنَٰهُ إِلَىٰ مِا۟ئَةِ أَلْفٍ أَوْ يَزِيدُونَ

এবং তাঁকে, লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করলাম।

১৪৮

فَـَٔامَنُوا۟ فَمَتَّعْنَٰهُمْ إِلَىٰ حِينٍۢ

তারা বিশ্বাস স্থাপন করল অতঃপর আমি তাদেরকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত জীবনোপভোগ করতে দিলাম।

১৪৯

فَٱسْتَفْتِهِمْ أَلِرَبِّكَ ٱلْبَنَاتُ وَلَهُمُ ٱلْبَنُونَ

এবার তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তোমার পালনকর্তার জন্যে কি কন্যা সন্তান রয়েছে এবং তাদের জন্যে কি পুত্র-সন্তান।

১৫০

أَمْ خَلَقْنَا ٱلْمَلَٰٓئِكَةَ إِنَٰثًۭا وَهُمْ شَٰهِدُونَ

না কি আমি তাদের উপস্থিতিতে ফেরেশতাগণকে নারীরূপে সৃষ্টি করেছি?

১৫১

أَلَآ إِنَّهُم مِّنْ إِفْكِهِمْ لَيَقُولُونَ

জেনো, তারা মনগড়া উক্তি করে যে,

১৫২

وَلَدَ ٱللَّهُ وَإِنَّهُمْ لَكَٰذِبُونَ

আল্লাহ সন্তান জন্ম দিয়েছেন। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।

১৫৩

أَصْطَفَى ٱلْبَنَاتِ عَلَى ٱلْبَنِينَ

তিনি কি পুত্র-সন্তানের স্থলে কন্যা-সন্তান পছন্দ করেছেন?

১৫৪

مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ

তোমাদের কি হল? তোমাদের এ কেমন সিন্ধান্ত?